1. online@mssuchanatv.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@mssuchanatv.com : admin :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

জেলেনস্কির পর এবার হোয়াইট হাউসে নাস্তানাবুদ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
  • ১৩৪ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের ওভাল অফিসে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠককে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক অপ্রত্যাশিত মানসিক যুদ্ধে পরিণত করেছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাকেও এই অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। একসময় ওভাল অফিসে আমন্ত্রণ পাওয়াকে গৌরবের বিষয় মনে করা হতো, কিন্তু ট্রাম্পের আমলে তা এখন এক ধরনের ‘রাজনৈতিক অ্যামবুশ’-এ পরিণত হয়েছে। এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্স-২৪’ এ তথ্য জানায়।স্থানীয় সময় বুধবার (২১ মে) ওভাল অফিসে আয়োজিত বৈঠকে আমন্ত্রিত অতিথি রামাফোসার সরকারের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা ও ভূমি দখলের অভিযোগ আনেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের অভিযোগ, অনেক মানুষ (দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সম্প্রদায়) মনে করছেন, তারা নিপীড়নের শিকার। তারা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চাচ্ছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তারা হত্যার শিকার হচ্ছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে জেলেনস্কির সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনার পর ট্রাম্প এবার রামাফোসাকে লক্ষ্য করেছেন। সাধারণত রাষ্ট্রীয় সফরে ওভাল অফিসে সংক্ষিপ্ত আলাপ ও ছবি তোলার রেওয়াজ থাকলেও ট্রাম্প সেগুলোকে প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে এমন উত্তপ্ত আলোচনায় পরিণত করেন।

বৈঠকের শুরুতেই রামাফোসা বলেদিয়েছিলেন, তিনি মূলত বাণিজ্য নিয়ে আলাপ করতে চান। তবে খুবই দক্ষতার সঙ্গে আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে রামাফোসাকে একগাদা অভিযোগে বিদ্ধ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গদের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ নিয়ে তিনি চিন্তিত। কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদন এবং একটি ভিডিওকে নিজের দাবির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে হাজির করেন তিনি।

তবে জেলেনস্কির মতো ট্রাম্পের সঙ্গে বাগ্‌যুদ্ধে জড়াতে চাননি রামাফোসা। তিনি বরং শান্তভাবে সব অভিযোগ শুনে ধীর গলায় বলেছেন, শ্বেতাঙ্গ কৃষক গণহত্যার অভিযোগ যদি সত্য হতো, তবে এই তিন ভদ্রলোক (আমন্ত্রিত গলফ খেলোয়াড়) আমার সঙ্গে থাকতেন না।দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এই বৈঠককে ‘উত্তেজনাপূর্ণ কিন্তু ফলপ্রসূ’ বলে বর্ণনা করেছে। তবে কূটনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আচরণ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা তৈরি করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2025
Design By Raytahost